ছ’মাস আগে শেষ দেখা,ভালো চরিত্র না পাওয়ার আক্ষেপ,অভিষেকের স্মৃতিচারণায় অভিনেত্রী চুমকি চৌধুরী

টলিউড ইন্ডাস্ট্রির একজন অন্যতম খ্যাতনামা অভিনেতা ছিলেন অভিষেক চ্যাটার্জী। মাত্র ৫৭ বছর বয়সে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সকলকে বিদায় জানিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন এই প্রবাদপ্রতিম অভিনেতা। এককালীন টলিউডে চুটিয়ে কাজ করেছেন তিনি। শুধু তাই নয় ধিরে ধিরে ইন্ডাস্ট্রিতে একজন প্রথম সারির অভিনেতা হয়ে উঠেছিলেন তিনি।

Advertisement

তবে এককালীন টলিউডের বড় পর্দায় এত খ্যাতি অর্জন করলেও বেশ কিছু বছর বড় পর্দা থেকে নিজেকে দূরে রেখে ছিলেন তিনি। তবে বড় পর্দায় কাজ না করলেও বর্তমানে ছোটপর্দায় বেশকিছু ধারাবাহিকে কাজ করছিলেন তিনি। মৃত্যুর আগে পর্যন্তও তিনি বেশকিছু ধারাবাহিকে অভিনয় করেছিলেন। সম্প্রতি অভিনেতাকে দেখা যাচ্ছিল টেলিভিশনের দুটো জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘মোহর’ও ‘খড়কুটো’ তে।

Advertisement

বর্তমানে দুটো ধারাবাহিকেই তিনি মূলত বাবার চরিত্রে কাজ করছিলেন। তবে এককালীন টলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রীদের সাথে চুটিয়ে কাজ করেছেন। তাই অভিনেতার অকাল প্রয়াণে শোকাহত ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, রচনা ব্যানার্জি, ইন্দ্রানী হালদারের পাশাপাশি একাধিক অভিনেত্রী। শুধু তাই নয় মূলত শোকোস্তব্ধ হয়ে পড়েছে গোটা টলিউড।

Advertisement

সম্প্রতি অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের স্মৃতিচারণায় দেখা গেল টলিউডের পরিচালক অঞ্জন চৌধুরীর কন্যা চুমকি চৌধুরী কে। এককালীন পরিচালক অঞ্জন চৌধুরীর সাথে একাধিক সিনেমায় কাজ করেছিলেন অভিষেক। এমনকি অঞ্জন চৌধুরীর সাথে একটি বিশেষ পারিবারিক সম্পর্ক ছিল অভিষেকের। তাই অঞ্জন চৌধুরীর দুই কন্যা চুমকি ও রিনা তাকে দাদা বলে ডাকতেন।

Advertisement

অভিনেত্রী চুমকি চৌধুরী অভিষেকের স্মৃতিচারণায় বলেন,ছয় মাস আগে চন্দননগরের একটি ব্লাড ডোনেশন ক্যাম্পে দেখা হয়েছিল অভিষেকের সাথে। সেখানে তারা পেতলের হাঁড়ি উপহার পেয়েছিলেন। হাঁড়ি পেয়ে খুব খুশি হয়েছিলেন অভিষেক চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন মূলত হাঁড়ির জন্যেই এখানে আসা।

Advertisement

এর পাশাপাশি চুমকি চৌধুরী অভিষেককে মিষ্টি খেতে বারণ করেন। তিনি সেটার উত্তরে বলেন। খাওয়া দাওয়া কমিয়ে কি হবে এখন তো শুধু বাবা-কাকুর চরিত্র পাবেন তাই এখন শুধুমাত্র নিজের মেয়ের জন্য বাঁচতে চান। বাস্তবে খুবই জেদি একজন মানুষ ছিলেন অভিষেক চ্যাটার্জী। একটি শুটিং চলাকালীন অসুস্থ বোধ করেন তিনি। তড়িঘড়ি তাকে হাসপাতালে ভর্তি করার ব্যবস্থা করা হলে তিনি সকলকে মানা করেন এবং বাড়িতে এনে সামরিক চিকিৎসা করা হয় তার। দেওয়া হয় স্যালাইন এবং বাড়িতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই প্রবাদপ্রতিম অভিনেতা।

Advertisement

Advertisement

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button