ঈশ্বর

সংকটকালীন অবস্থায় স্মরণ করুন বাবা লোকনাথকে,বিপদ থেকে মুক্তি পাবেন নিমেষেই

 

Advertisement

‘রণে বনে জলে জঙ্গলে,যেখানে বিপদে পড়িবে,আমাকে স্মরণ করিবে আমি রক্ষা করিব’- বাবা লোকনাথের জীবদ্দশায় ভক্তদের এরূপ বলে গিয়েছিলেন বাবা লোকনাথ।

Advertisement

বঙ্গে বাবা লোকনাথের অপার মহিমার কথা সম্পর্কে অজানা মানুষের সংখ্যা খুবই কম।‌ তার মহিমার কথা খুব একটা প্রচার এবং পুরোনো না হলেও বাবা লোকনাথ আবির্ভূত হয়েছিলেন আজ থেকে প্রায় তিনশো বছর পূর্বে। মানবজীবনে একজন অসাধারণ ব্যাক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন বাবা লোকনাথ। চারিদিকে ছড়িয়ে ছিল তার অপার মহিমার কথা।

Advertisement

বাবা লোকনাথ ১৭৩০ খ্রিষ্টাব্দের ৩২ ই আগস্ট (১৮ ভাদ্র ১১৩৭ বঙ্গাব্দ) কলকাতা হইতে কিছু দূরে ২৪ পরগণার কচুয়া নামক একটি গ্রামে এক ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ছিল রামনারায়ণ ঘোষাল এবং মাতা ছিলেন কলমাদেবী। তিনি তার বাবা-মায়ের চতুর্থ পুত্র ছিলেন।

Advertisement

বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী তার জীবদ্দশায় সকলকে নিজেই নির্দেশ দিয়েছিলেন তার প্রয়াণের একশো বছর পর তার লীলাকথা প্রচার করতে। ফলে আটের দশকের শেষের দিক থেকে লোকনাথ পুজোর মহত্ব বাড়ে। লোককথা অনুযায়ী লোকনাথ ছিলেন ভগবান শিবের একটি অংশ। অর্থাৎ ভগবান শিবের মতো সোমবারে বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর পুজো করলে জীবনে শান্তি ও সমৃদ্ধি আসে।

Advertisement

ছোটোবেলা থেকেই বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী ছিলেন অসাধারণ ব্যাক্তিত্বের। ফলে বাল্যকালেই তিনি ভগবান গাঙ্গুলীর শিষ্যত্ব গ্রহন করেন। এরপর উপনয়ন শেষ করে বাবা লোকনাথ, বেনীমাধব এবং ভগবান গাঙ্গুলী পদযাত্রা শুরু করেন। এবং গ্ৰাম,শহর ও জঙ্গল অতিক্রম করে পৌছোন কালীঘাটে।

Advertisement

কালীঘাটে পৌঁছে গুরুর নির্দেশে যোগ সাধনা শুরু করেন তিনি। এরপর বিভিন্ন ব্রত ও যোগ সাধনার পর ব্রহ্মজ্ঞান লাভ করেন তিনি। এবং এরপরেই শুরু হয় দেশ ভ্রমণ। প্রথমে হিমালয় তারপর কাবুল আসেন বাবা লোকনাথ। সেখানে মোল্লা সাদী নামক এক মুসলমানের সঙ্গে কোরান,বেদ সহ বিভিন্ন শাস্ত্র নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে ইসলামধর্মের তত্ত্বজ্ঞান লাভ করেন বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী।

Advertisement
Advertisement

Advertisement

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button