রাজনীতি

‘তৃণমূলে যেতে রাজি সৌমিত্র খাঁ’- কিন্তু রাখলেন এই শর্ত

 

Advertisement

একুশে বিধানসভা নির্বাচনের পূর্বে বঙ্গ রাজনীতিতে দেখা দিয়েছিল বিরাট পরিবর্তন। রাজ্যে পালাবদলের আশঙ্কা করে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে নাম লিখিয়েছিলেন একাধিক তৃণমূল নেতা নেত্রীরা। কিন্তু ভোট গণনার পর যেমনটা আশা করা হয়েছিল তার কিছুই হয়নি। বঙ্গে গেরুয়া শিবির যেমনটা ফলের আশা করেছিল সেরকম কিছুই হয়নি বরং ২১৩ টি আসনে জয়ী হয়ে তৃতীয়বার নবান্নের সিংহাসনে বসেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement

ভোট পূর্বে যেসব নেতা নেত্রীরা তৃণমূল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে আশ্রয় নিয়েছিলেন তারাই আবার তৃণমূলের জয়লাভের পর দলে ফিরতে চান। ইতিমধ্যেই বেশি কিছু দলবদলু নেতা-নেত্রীরা বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরে আসতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। কদিন আগে তৃণমূলে ফিরতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন জানিয়েছেন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সোনালী গুহ, দূর্গা মূর্মূ ও দীপেন্দু বিশ্বাস সহ একাধিক দলবদলু নেতা নেত্রীরা।

Advertisement

অন্যদিকে প্রাক্তন দাপুটে তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের অবস্থান নিয়েও বেশ সংকোচ বোধ করছেন বঙ্গ বিজেপি। এরই মাঝে আরও একটি ঘটনা বঙ্গ গেরুয়া বাহিনীকে বেশ অস্বস্তিতে ফেলেছে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির হয়ে ভোটে লড়ে সাংসদ হন সৌমিত্র খাঁ। কিন্তু এদিন হঠাৎ করে তিনি একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বেরিয়ে যান। এর পরেই তার দলে অবস্থানকে ঘিরে শুরু হয় জল্পনা।

Advertisement

এরপর বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের ডাকা একটি বৈঠকে সামিল হননি সৌমিত্র খাঁ। পাশাপাশি একুশের নির্বাচনেও সৌমিত্র কে সেভাবে সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে দেখা যায়নি। সবমিলিয়ে শুরু হয় জল ঘোলা। এরপর এই প্রসঙ্গে সৌমিত্র খাঁ জানান,”আমার এখন বিজেপি ছাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

Advertisement

প্রতিদিন হাজার হাজার হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আমাকে অ্যাড করা হয় তারই মধ্যে একটি গ্রুপ থেকে আমি বেরিয়ে গিয়েছি। আমার কাঁধে রয়েছে অনেক কাজের দায়িত্ব। ইতিমধ্যে অনেকেই দল বদলাতে চাইছেন কিন্তু আমি একজন দলের নির্ভীক সৈনিক এর মতোই থাকব।”

Advertisement

এর পাশাপাশি তিনি বলেন,”আমি একটা শর্তে তৃণমূলে যেতে পারি, যেদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিতে আসবেন,সেদিন আমিও তৃণমূলে যাবো।”

Advertisement
Advertisement

Advertisement

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button